Blog

অধ্যাপক ড.মোঃ আনোয়ার হোসেন ও অধ্যাপক ঝর্না রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত। 24 May

অধ্যাপক ড.মোঃ আনোয়ার হোসেন ও অধ্যাপক ঝর্না রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত।

অধ্যাপক ড.মোঃ আনোয়ার হোসেন ও অধ্যাপক ঝর্না রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত।

অধ্যাপক ড.মোঃ আনোয়ার হোসেন ও

অধ্যাপক ঝর্না রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত।
অবশেষে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আজ ১৩ মে ২০২২, শুক্রবার, বিকেল ৪ টায় শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় পর্ষদ কর্তৃক এই সংবর্ধনা আয়োজন করা হয়।
প্রথমেই মঞ্চে উঠে আসেন প্রথম পর্বের সঞ্চালক আজকের আয়োজনের সদস্য সচিব নাছির উদ্দিন আহমেদ জুয়েল উপস্থিত সুধীজনদের স্বাগত জানিয়ে কাঙ্ক্ষিত অনুষ্ঠান শুরু করেন।
বিক্রমপুরের কীর্তিমান, বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.মোঃ আনোয়ার হোসেন ২০২২ সালে বিজ্ঞানে একুশে পদক পেয়েছেন এবং বিক্রমপুরের খ্যাতিমান কথাশিল্পী, কবি, গীতিকার ও সঙ্গীতশিল্পী অধ্যাপক ঝর্না রহমান বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২১-এ ভূষিত হয়েছেন। দেশবাসীর সাথে বিক্রমপুরের সর্বস্তরের মানুষ এ জন্য গর্বিত। অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশন এই দুই সুধী ও কীর্তিমান ব্যক্তিত্বকে আজ এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন।
সূচনা সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।
প্রথমে সূচনা সংগীত পরিবেশন করেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী সুমা রায়। পরপর দুটি সংগীত পরিবেশনের পর মঞ্চে আসেন বাংলাদেশের স্বনামধন্য রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী ডক্টর মকবুল হোসেন। তিনি দর্শকদের মুগ্ধ করেন পর পর কয়েকটি সংগীত পরিবেশন করে। এরপর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সভাপতি ডক্টর নূহ-উল-আলম লেনিন প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথিদের সাথে নিয়ে মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন।
এ-পর্যায়ে আজকের সংবর্ধনা অনুস্ঠানের ২য় পর্বের অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হাসান।
২য় পর্বের অনুষ্ঠানের শুরুতেই অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশন পরিচালিত বঙ্গীয় গ্রন্থ জাদুঘরের জাতীয় কমিটির সভাপতি এবং সাবেক অর্থমন্ত্রী সদ্য প্রয়াত আবুল মাল আবদুল মুহিতের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
এরপর অতিথিবৃন্দকে পুস্পার্ঘ নিবেদন করেন, সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডাক্তার আব্দুল মালেক ভূঁইয়া, টঙ্গীবাড়ি উপজেলার শাখার সভাপতি সাবেক জেলা জজ শেখ আব্দুর রউফ, লৌহজং শাখার সভাপতি মোঃ কবির ভূঁইয়া কেনেডি, লৌহজং শাখার সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, মুন্সিগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু হানিফ, কেন্দ্রীয় পর্ষদের সদস্য সহযোগী অধ্যাপিকা শামীমা নাসরিন, শ্রীনগর শাখার সাধারণ সম্পাদক মুজিব রহমান এবং সিরাজদিখান শাখার সাধারণ সম্পাদক ইসলাম শেখ।
প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথিসহ সংবর্ধিত দুই সুধী ও কীর্তিমান ব্যক্তিত্বকে উত্তরীয় পরিয়ে দেয় অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশনের সভাপতি ডক্টর নূহ-উল-আলম লেনিন।
স্বাগত ভাষণ প্রদান করেন আজকের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজক কমিটির সভাপতি এবং সংগঠনের সহ-সভাপতি সাবেক বিএমএ সভাপতি বিশিষ্ট চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রশিদ-ই-মাহবুব। তাহার বক্তব্যে তুলে উঠে অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড। সংগঠনের ২৪ বছর চলছে ১৯৯৮ সালের ২৪ এপ্রিল যাত্রা শুরু করেছিল। আজ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সংগঠনটি যায়গা করে নিয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলোতে স্হান করেছে অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশনের সংবাদ। পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বিক্রমপুরের ১২০০ বছর আগের ইতিহাস ঐতিহ্য, খননের প্রত্নতন্ত উদঘাটনে বেড়িয়ে এসেছে মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা রাস্তা ঘাট ড্রেন এককথায় এই জনপদের সভ্যতার চিহ্ন। আর এই কাজটি করেছে সরকারি অর্থায়নে অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশন।
মানপত্র পাঠ করেন সহ-সভাপতি অধ্যাপক শাহজাহান মিয়া ও সিরাজদিখান শাখার সভাপতি এবং সিরাজদিখান উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হেলেনা ইয়াসমিন। মানপত্র পাঠ শেষে মানপত্র দুটি সংবর্ধিত দুই গুনীজনের হাতে তুলে দেন।
শুভেচ্ছা ভাষণ প্রদান করেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা।
অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর এর ভাষনে বিক্রমপুরের প্রকৃত আদি ইতিহাস ঐতিহ্য, ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিক্রমপুরের মে সকল কৃতি সন্তানেরা তাঁহাদের নাম এবং অবদান নিয়ে চমৎকার বর্ণনা করেন। বিক্রমপুর সম্পর্কে এতো জানেন তা পুরো হলের মানুষকে হতবাক করেছে, বিস্তারিতভাবে তুলে ধরলেন বিক্রমপুরের সেকাল থেকে একাল পর্যন্ত সকল বিষয়।
সম্মাননাপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন এবং অধ্যাপক ঝর্না রহমান দুজন প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী জনাব এম,এ, মান্নান এমপি। প্রধান অতিথির মূল্যবান বক্তব্য শেষে সংবর্ধিত দুই গুনীজনের হাতে উপহার হিসেবে তুলে দেন দুটি তৈলচিত্র।
উল্লেখ্য আজকের আয়োজনে উপস্থিত দর্শক ছিল হলের আসন সংখ্যার দ্বিগুণ। কানায় কানায় পূর্ণ ছিল দাঁড়িয়ে কস্ট করে অনুষ্ঠান উপভোগ করেছেন।
আজকের এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশন ড. নূহ-উল-আলম লেনিন। সভাপতি তাহার বক্তব্যে তুলে ধরেন অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা শুরু করে আজকে পর্যন্ত সকল সামাজিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বিশেষ করে বিক্রমপুরের খনন প্রকল্পের নানা বিষয়।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শুরুতে দপ্তর ও পরিসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক নাছির উদ্দিন আহমেদ জুয়েল এবং মূল পর্বে সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হাসান।
—-সমাপ্ত———=====@দপ্তর ও পরিসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক নাছির উদ্দিন আহমেদ জুয়েল ======————

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *