কর্মপরিকল্পনা

কর্মপরিকল্পনা
(খসড়া)
২০১৫-২০১৮
অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশন
প্রধান কার্যালয়
কনকসার, লৌহজং,  বিক্রমপুর , মুন্সীগঞ্জ।

======================================================

অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশন তার ঘোষণাপত্র ও গঠনতন্ত্রের লড়্গ্যসমূহ অর্জনে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাবে। নিম্নে আমাদের আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনার একটি রূপরেখা আপনাদের আলোচনা ও মতামতের জন্য উপস্থাপন করছি :-

১. ২০১৫ সালের মধ্যে টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় সংগঠনের শাখা প্রতিষ্ঠা করা।

২. আগামী ১ বছরের মধ্যে অর্থাৎ ২০১৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে সংগঠনের প্রাথমিক সদস্য অনত্মত ১০০০ জনে উন্নীত করা।

৩. সংগঠনের সর্বসত্মরে মহিলাদের অধিকতর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা; আগামী ২০১৮ সালের মার্চ মাসে আজকের সম্মিলনে নির্বাচিত কেন্দ্রীয় পর্ষদের মেয়াদকালে সংগঠনে মহিলাদের অংশগ্রহণ ন্যূনতম ২৫ শতাংশে উন্নীত করা।

৪. লৌহজং ও মুন্সিগঞ্জের মতো শ্রীনগর, সিরাজদিখান ও টঙ্গিবাড়ীতে নিজস্ব জমিতে নিজস্ব কার্যালয় ও পাঠাগার স’াপন করা।

৫. প্রতিটি উপজেলায় একাধিক আঞ্চলিক/ইউনিয়ন পর্যায়ে উপকেন্দ্র স’াপন।

৬. প্রতিটি কেন্দ্রকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা। সাংগঠনিক ও অন্যান্য ব্যয় সংকুলানের জন্য নিজ নিজ কেন্দ্রের আত্মনির্ভরশীল হতে চেষ্টা করা।

৭. প্রতিটি কেন্দ্র/উপকেন্দ্রের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স’াপনকে অগ্রাধিকার প্রদান করা।

৮. নতুন সদস্য ও শুভানুধ্যায়ী সংগ্রহের উদ্দেশ্যে প্রতিটি কেন্দ্র আগামী ১ বছরের মধ্যে স্ব স্ব উপজেলার বিশিষ্ট জনদের একটি তালিকা তৈরি করবে। এই তালিকায়- ক) সরকারি, আধা সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে চাকরিরত কর্মকর্তা খ) বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুলের শিড়্গক/শিড়্গয়িত্রী গ) আইনজীবী, সাংবাদিক ও অন্যান্য পেশাজীবী এবং ঘ) বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শিল্পপতিদের তালিকা প্রণয়ন করতে হবে। তালিকা দেখে সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার জন্য একটি বাছাই তালিকা করে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা।

৯. জীবন সদস্য, শুভানুধ্যায়ী এবং সহযোগী সদস্য প্রভৃতি বিষয়ে একটি বিধিমালা প্রণয়ন করা। কমিটিতে বিধিমালা গৃহীত হওয়ার পর এসব ড়্গেত্রে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী সদস্য সংগ্রহ করতে হবে।

১০. বালাশুরে নৌকা জাদুঘরের জন্য নৌকা সংগ্রহে সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ।

১১. সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কাছে বিক্রমপুর জাদুঘর হসত্মানত্মর করলেও এই জাদুঘর পরিচালনার সাথে অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশনের ভূমিকা পালনের বৈধ সুযোগের ব্যবসা নিশ্চিত করা।

১২. বালাশুরে রাসত্মা নির্মাণ ও চারিদিকে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণে সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ।
১৩. জাদুঘরের একটি পরিচালনা কমিটি গঠন করা।

১৪. লৌহজং-এ মুক্তমঞ্চ, কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং গ্রন’জাদুঘর ২০১৫ সালের প্রথমার্ধের মধ্যে উদ্বোধন করা।

১৫. রঘুরামপুরে প্রসত্মাবিত সাইট মিউজিয়ামের জন্য প্রকল্প প্রসত্মাব অনুমোদন ও নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা।

১৬. মুন্সিগঞ্জে জ্ঞানপীঠ গবেষণা কেন্দ্র চলতি বছরের প্রথমার্ধের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা। অবিলম্বে গবেষণা কর্মকা- শুরম্ন করা।

১৭. প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা, খনন ও সংরড়্গণ বিষয়ে ঐতিহ্য অন্বেষণের সঙ্গে অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশনের একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি বা সম্মতিসূচক স্মারক প্রণয়ন ও সম্পাদন করা।

১৮. অগ্রসর বিক্রমপুরের স্থাবর সম্পত্তি রড়্গা ও ব্যবস্থাপনার জন্য অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশনের সংঘ স্মারকের প্রয়োজনীয় সংশোধনী সাপেড়্গে স’ায়ী ব্যবস’াপনার কাঠামো গড়ে তোলা।

১৯. প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের একটি অডিট রিপোর্ট আগামী ৬ মাসের মধ্যে প্রণয়ন করা।

২০. প্রতিষ্ঠানের ব্যয় নির্বাহের জন্য একটি স’ায়ী তহবিল গড়ে তোলা।

২১. প্রতিষ্ঠানের ত্রৈমাসিক মুখপত্র নিয়মিত প্রকাশের ব্যবস’া করা। সম্পাদকম-লী পুনঃনির্বাচন করা।

২২. কনকসারের আর্কাইভ নির্মাণের পরিকল্পনা বাসত্মবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা। গ্রন’ জাদুঘর পরিচালনায় স্বতন্ত্র কমিটি গঠন করা।

২৩. প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ওয়েব পোর্টাল আরও আকর্ষণীয় করা।

২৪. সহযোগী নারী ও শিশু সংগঠন গড়ে তোলার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা।

২৫. প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগের ব্যবস’া করা।

২৬. প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব যানবাহনের ব্যবসা করার উদ্যোগ গ্রহণ।

২৭. প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ডিজিটাল ল্যাব, ভিডিও অডিও এবং ক্যামেরা ইউনিট গড়ে তোলার চেষ্টা করা;

২৮. প্রতিষ্ঠানের আয় বর্ধক কোনো স্থায়ী ব্যবসা গড়ে তোলার চিনত্মা-ভাবনা করা এবং সম্ভব হলে উদ্যোগ গ্রহণ করা।

২৯. সংগঠনের একটি নিজস্ব সঙ্গীত রচনা ও সুরারোপ করে চালু করা।

৩০. সংগঠনের নিজস্ব দলিলপত্র সংরড়্গণের ব্যবসা করা।

৩১. প্রতিষ্ঠানের প্রকাশনা সংস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ।